গতকাল বরিশালে সদর থানার ওসি গভীর রাতে পুকুরে লুকিয়ে থাকা..see more
গভীর রাত। চারদিকে শুধু ঝিঁঝিঁ পোকার ডাক। এলাকাবাসী যখন ঘুমে আচ্ছন্ন, তখনই শুরু হয় এক নাটকীয় অভিযান। কেউ জানত না, কয়েক ঘণ্টা পর এমন একটি ঘটনা সামনে আসবে যা নিয়ে পুরো এলাকায় তোলপাড় শুরু হবে।
গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পুলিশ জানতে পারে, দীর্ঘদিন ধরে আত্মগোপনে থাকা এক ব্যক্তি ওই এলাকায় অবস্থান করছে। খবর পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই শুরু হয় অভিযান। চারদিক ঘিরে ফেলে পুলিশ। কিন্তু অভিযুক্ত যেন হাওয়ায় মিলিয়ে গেছে! ঘর, উঠান, আশপাশের ঝোপঝাড়—সবখানে খোঁজ করেও কোনো সন্ধান মিলছিল না।
সময় যত গড়াচ্ছিল, রহস্য ততই বাড়ছিল। হঠাৎ একজনের সন্দেহ হয় পাশের পুকুরের দিকে। শুরু হয় সেখানেও তল্লাশি। প্রথমে কিছুই বোঝা যাচ্ছিল না। কিন্তু কিছুক্ষণ পর পানির ভেতরে অস্বাভাবিক নড়াচড়া দেখতে পান অভিযানে থাকা সদস্যরা।
এরপর যা দেখা গেল, তা উপস্থিত সবাইকে অবাক করে দেয়। ধরা পড়ার ভয়ে অভিযুক্ত দীর্ঘ সময় ধরে পুকুরের পানিতে লুকিয়ে থাকার চেষ্টা করছিল। ধারণা ছিল, এভাবে হয়তো আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর চোখ ফাঁকি দেওয়া যাবে। কিন্তু শেষ পর্যন্ত তার সেই পরিকল্পনা সফল হয়নি।
দীর্ঘ নাটকীয় অভিযানের পর তাকে আটক করা হয়। অভিযানের সময় উপস্থিত অনেকেই বলছেন, জীবনে এমন দৃশ্য তারা খুব কমই দেখেছেন। রাতের অন্ধকার, টানটান উত্তেজনা আর শেষ মুহূর্তের নাটকীয়তা—সব মিলিয়ে পুরো ঘটনাটি যেন সিনেমার গল্পকেও হার মানায়।
কিন্তু আসল রহস্য এখানেই শেষ নয়। কেন তিনি পালিয়ে বেড়াচ্ছিলেন? কী এমন ঘটেছিল যে গভীর রাতে পুকুরে লুকিয়ে থাকতে বাধ্য হলেন? আর তাকে ঘিরে যে অভিযোগগুলো সামনে এসেছে, সেগুলো কতটা সত্য?

Comments
Post a Comment